August 16, 2026, 8:18 pm
শিরোনাম :
র‍্যাব-৯ এর অভিযানে জৈন্তাপুরের চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণচেষ্টা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে গোয়াইনঘাটে পুজা উদযাপন ফ্রন্টের মতবিনিময় সভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা গোয়াইনঘাটে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের ৭১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন গোয়াইনঘাটে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট জকিগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠন গোয়াইনঘাট উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠনে শুক্রবার মতবিনিময় সভা বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ওসমানীনগরে নারীকে হুমকি-ধাক্কাধাক্কির অভিযোগে দুই নারী গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ জৈন্তাপুরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন পর্তুগাল প্রবাসী ইকরাম উদ্দিনকে গোটাটিকর ব্রাদার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান

কেন্দুয়ায় গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ২; থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

Reporter Name

নেত্রকোণা প্রতিনিধি:

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই সহোদর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষই থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছে।

আহতরা হলেন উপজেলার ভাদেড়া গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম ও তাঁর ছোট ভাই পলাশ মিয়া। গুরুতর আহত শাহ আলম বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ মে বিকেলে কয়েকজন ব্যক্তি পলাশ মিয়াদের বসতভিটার জমিতে প্রবেশ করে দুটি রেইন্ট্রি গাছ কেটে ফেলেন এবং আরও একটি গাছ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত করেন। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন পলাশ মিয়া। তিনি জানান, গাছ কাটায় বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাঁদের হুমকি দিয়ে চলে যায়।

পরে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বৈখুরহাটী বাজারে তাঁদের ‘মিনা বস্ত্রালয়’ নামের দোকানে হামলার ঘটনা ঘটে। পলাশের অভিযোগ, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল লোক দোকানে ঢুকে তাঁর বড় ভাই শাহ আলমকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। এ সময় তাঁকেও মারধর করা হয়। স্থানীয়রা আহত শাহ আলমকে প্রথমে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পলাশ মিয়ার আরও দাবি, হামলাকারীরা দোকান থেকে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা নগদ অর্থ ও এক লাখ টাকার কাপড় লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়া ভাঙচুরে আরও প্রায় ৭০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত দলপা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য হেবলু মিয়া। তিনি বলেন, “আমি আবুল মিয়ার কাছ থেকে চারটি গাছ ১১ হাজার টাকায় কিনেছি। গাছ কাটতে গেলে শাহ আলম ও পলাশ আমাদের বাধা দেয় এবং আমাদের লোকজনকে মারধর করে।”

তিনি আরও দাবি করেন, পরে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা হলেও পরবর্তীতে বাজারে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে আবারও বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ সময় তাঁর চাচাতো ভাই মামুন মিয়া আহত হন এবং বর্তমানে তিনি নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তী হাতাহাতির ঘটনায় দুই পক্ষের লোকজন আহত হয়। দোকান লুটপাটের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেও দাবি করেন তিনি। সত্যতা যাচাইয়ে দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখার আহ্বান জানান তিনি।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ বলেন, “উভয় পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঘটনাটি এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা