ডেস্ক রিপোর্ট :
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করতে সিসিক ব্যাপকভাবে ড্রেন নির্মাণ করছে। আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে শুরু হওয়া দর্শন দেউড়ি হয়ে সুবিদবাজার পর্যন্ত এই বড় ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে তিনটি ওয়ার্ডের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হবে।
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে আম্বরখানা থেকে দর্শন দেউড়ি আরসিসি ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। সিসিক প্রশাসক বলেন, আজ ছুটির দিন। সাধারণত শনিবার শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি কাটানোর কথা। কিন্তু নগরীর উন্নয়নকাজ এগিয়ে নিতে আমরা রাত-দিন পরিশ্রম করছি। ছুটির দিনেও সিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকরা কাজ করছেন। নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় একযোগে ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, শুষ্ক মৌসুম প্রায় আসন্ন। সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টিপাত কমে আসবে। তাই শুষ্ক মৌসুমকে কাজে লাগিয়ে সড়ক ও ড্রেন নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ বর্ষা মৌসুমে সড়ক ও ড্রেনের নির্মাণকাজ করা কঠিন। এ কারণে ছুটি না কাটিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আম্বরখানা থেকে দর্শন দেউড়ি পর্যন্ত এই ড্রেন নির্মাণ এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। ড্রেনটি নির্মাণ হলে তিনটি ওয়ার্ডের পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করতে পর্যায়ক্রমে আরও বিভিন্ন এলাকায় ড্রেন নির্মাণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, দর্শন দেউড়ি–দরগাহ–পুলিশ লাইন সড়কের কাজও শুরু করা হবে। এরই মধ্যে এ কাজের টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়ন হলে নগরবাসীর চলাচল আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। আমরা নগরীর পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছি। কোনো রাস্তাঘাট যেন দীর্ঘদিন ভাঙা অবস্থায় পড়ে না থাকে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সিসিক প্রশাসক নগরীর উন্নয়নকাজে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, সুন্দর ও আধুনিক নগর গড়তে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সহযোগিতা করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা সিলেট নগরীর সড়ক, ড্রেনেজ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে চাই।
পরিদর্শনকালে সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সামছুল হক পাটোয়ারী, সহকারী প্রকৌশলী খাদেমুল মুরসালিন খিয়াম, উপসহকারী প্রকৌশলী দেবব্রত দাশ তালুকদার, ঠিকাদার মোহাম্মদ আব্দুল মুমিন মামুন, কার্যসহকারী মোফাজ্জল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।