র্যাব-৯ এর অভিযানে জৈন্তাপুরের চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণচেষ্টা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই হত্যা, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন, সন্ত্রাস, মাদক, চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে আসছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো স্পর্শকাতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে র্যাব সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।
সম্প্রতি সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণচেষ্টার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জৈন্তাপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(৪)(খ) ধারায় একটি মামলা রুজু হয়। ঘটনার পর থেকে মামলার মূল এজাহারনামীয় আসামি আত্মগোপনে থেকে গ্রেফতার এড়ানোর চেষ্টা করে। ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হলে জনমনে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-৯, সিলেট তাৎক্ষণিকভাবে ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান নিশ্চিত করে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৬ জুলাই ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা ৬:২০ ঘটিকায় মেজর এম. সাদমান সাকিব এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ-এর নেতৃত্বে র্যাব-৯, সিপিএসসি-এর একটি আভিযানিক দল এসএমপি, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন চণ্ডীপুল গোলচত্বর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে জৈন্তাপুরের চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণচেষ্টা মামলার মূল এজাহারনামীয় পলাতক আসামি জসিম উদ্দিন (৩৫)-কে গ্রেফতার করা হয়। তার নিকট হতে ০১টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৮,০৮৫/- টাকা উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, বহুল আলোচিত এ ঘটনার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে র্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অভিযানের মাধ্যমে মামলার মূল আসামিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে উদ্ধারকৃত আলামতসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯, সিলেট জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে ভবিষ্যতেও একই ধরনের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রাখবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি.