আলাপন ডেস্ক:
সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে জিম্মি করে গৃহবধূকে ধ*র্ষ*ণের ঘটনায় দায়ের করা ধ*র্ষ*ণ ও অ*স্ত্র—দুই মামলার বিচার কার্যক্রম এখন শেষের দিকে।
রবিবার সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আসামিদের উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের কথা থাকলেও বিচারক ছুটিতে থাকায় তা অনুষ্ঠিত হয়নি।
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল হোসেন জানান, ধ*র্ষণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও অ*স্ত্র মামলার ওপর আজ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হওয়ার কথা ছিল। রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, এক দিনে যুক্তিতর্ক শেষ না হলে একাধিক দিন তা চলবে।
আদালত সূত্র জানায়, দুই মামলায় এ পর্যন্ত ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন গৃহবধূ, তার স্বামী, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদক ম্যাজিস্ট্রেট, এমসি কলেজের অধ্যাপক ও ওসমানী হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক।
গ্রেফতারের পর আট আসামিকে পাঁচ দিন করে রিমান্ডে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এর মধ্যে প্রধান আসামি সাইফুর রহমান, তারেক, শাহ মাহবুবুর ও অর্জুন ধ*র্ষণের ঘটনা স্বীকার করেন। রবিউল ও মাহফুজুর সহযোগিতার কথা স্বীকার করেন। ছয় আসামির ডিএনএ নমুনা ঢাকায় পরীক্ষায় পাঠানো হলে তা ধ*র্ষণের প্রমাণ মেলে।
ঘটনার রাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে আ*গ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সাইফুরসহ আরও দুইজনকে অ*স্ত্র মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
২০২০ সালের ৩ ডিসেম্বর শাহপরান থানার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ধ*র্ষণ মামলায় আটজনকে অভিযুক্ত করা হয় এবং মোট ৫২ জনকে সাক্ষী করা হয়।
পরবর্তী তারিখে দুই মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হবে। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায়ের তারিখ ঘোষণা করবে।